img

ইরানের ওপর পরিচালিত এই বিধ্বংসী হামলার নেপথ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে দীর্ঘ কয়েক মাসের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং যৌথ পরিকল্পনা ছিল বলে নিশ্চিত করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। 

সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী এই সমন্বয় ও প্রস্তুতির কারণেই ইরানের ওপর অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এবং সম্পূর্ণ সুসংগত উপায়ে এই ব্যাপক হামলা চালানো সম্ভব হয়েছে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানি শাসনের সামরিক শক্তিকে ব্যাপকভাবে ধ্বংস করা এবং ইসরাইলের জন্য তৈরি হওয়া যেকোনো অস্তিত্ব সংকটের হুমকি চিরতরে নির্মূল করা।

সিএনএন-এর জানায়, ইসরাইলের প্রথম পর্যায়ের লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সেগুলো উৎক্ষেপণের সরঞ্জাম। বর্তমানে তেহরানে অবস্থিত ইরানের গোয়েন্দা সদর দপ্তরের দিক থেকে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যাচ্ছে। 

আইডিএফ আরও জানিয়েছে, এমনকি এই মুহূর্তেও ইসরাইলি বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরান জুড়ে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে চলেছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী এই অভিযান আরও দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত থাকবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে সামরিক কর্তৃপক্ষ।

এই বিভাগের আরও খবর